শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ

ঈদ শেষে ঢাকার পথে মানুষজন, এখনও বাড়েনি ফিরতি ভিড়

ঈদুল আজহার তৃতীয় দিনে ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ। তবে এখনও রাজধানীমুখী যাত্রায় বড় ধরনের ভিড় তৈরি হয়নি। ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই রাজধানীতে ফিরছেন। সেই সঙ্গে গণপরিবহনে যাত্রীচাপ তুলনামূলক কম থাকায় যাত্রীদেরও তেমন কোনো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না। একইসঙ্গে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যায়নি।

শনিবার (৩০ মে) সকালে রাজধানীগামী বিভিন্ন সড়ক ও বাসস্ট্যান্ড ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুরের কাপাসিয়াসহ আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা অধিকাংশ বাসেই ছিল স্বাভাবিক সংখ্যক যাত্রী। কোথাও অতিরিক্ত ভিড় বা যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষার দৃশ্য চোখে পড়েনি।

বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীদের বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেলেও সেটি ছিল স্বাভাবিক সময়ের মতো। বাস আসার পর সহজেই আসন পেয়ে গন্তব্যে রওনা দিতে দেখা গেছে অনেককে।

পরিবহনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের ছুটি এখনও চলমান থাকায় অনেকেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে সময় কাটাচ্ছেন। ফলে রাজধানীতে ফেরার চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। ছুটির শেষ দিকে এবং অফিস-আদালত খোলার আগের দিনগুলোতে যাত্রীসংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শেরপুর থেকে ছেড়ে আসা রাজধানীগামী একটি বাসের হেলপার রবিউল ইসলাম বলেন, এখনও পুরোপুরি ফিরতি চাপ শুরু হয়নি। যাত্রীরা আসছেন, তবে বাসে স্বাভাবিক সংখ্যক মানুষই উঠছেন। ভাড়া আগের মতোই নেওয়া হচ্ছে, বাড়তি কিছু নেওয়া হচ্ছে না।

আরেকটি বাসের হেলপার রিফাও হাওলাদার বলেন, ঈদের পর সাধারণত কয়েক দিন পর ভিড় বাড়তে শুরু করে। আজ যাত্রী আছে, কিন্তু চাপ নেই। বাসস্ট্যান্ডেও যাত্রীদের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। তবে আজ বিকেল থেকেই ভিড় বাড়তে পারে।

উল্লেখ্য, এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা সাত দিনের ছুটি ভোগ করছেন। অন্যদিকে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও প্রতিষ্ঠানভেদে পাঁচ থেকে সাত দিনের ছুটি পেয়েছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি ছুটি শুরু হয় ২৫ মে থেকে, যা চলবে আগামী ৩১ মে (রোববার) পর্যন্ত।

আরো