৫ হাজার কোটি টাকার সিএমএসএমই পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে যুক্ত হলো আইপিডিসি
কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) উদ্যোক্তাদের চলতি মূলধনের অর্থায়ন সুবিধা বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে অংশগ্রহণের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট (এসএমইএসপিডি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. জাবদুল ইসলাম।
এই পুনঃঅর্থায়ন উদ্যোগে যোগ্য ও সক্ষম সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের কাছে অর্থায়ন পৌঁছে দেওয়া এবং ব্যবসার উৎপাদনশীল কাজে এ অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ অর্থায়নের মাধ্যমে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কার্যক্রম চালু রাখা ও সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে, যা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখবে।
আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস বলেন, “সিএমএসএমই খাতের ব্যবসার ধারাবাহিকতা ও প্রবৃদ্ধির জন্য সময়মতো এবং সাশ্রয়ী হারে চলতি মূলধনের অর্থায়ন পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উদ্যোক্তা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অর্থায়নের সুযোগ আরও বাড়াতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, এ উদ্যোগ ব্যবসার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা ও সম্প্রসারণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।”
পুনঃঅর্থায়ন স্কিমটির আওতায় যোগ্য সিএমএসএমই উদ্যোক্তা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে চলতি মূলধনের অর্থায়ন সুবিধা দেবে আইপিডিসি ফাইন্যান্স। এ অর্থায়ন তাদের দৈনন্দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা, প্রয়োজনীয় তারল্য নিশ্চিত করা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে সিএমএসএমই খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের সুযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে এ উদ্যোগ।
উদ্যোক্তাদের জন্য সহজলভ্য ও দায়িত্বশীল অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের সিএমএসএমই খাতকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় ও অর্থায়ন সুবিধার বাইরে থাকা ব্যবসাগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের আওতায় এনে দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার লক্ষ্য রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
