Monday, 13 July, 2026, 7:58 am

জয়ার তারুণ্যের গোপন সূত্র: ফিটনেস, ডায়েট না মানসিক যত্ন?

বি‌ডি মেইল ডেস্ক

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান—তার অভিনয় দক্ষতার পাশাপাশি আরেকটি বিষয় নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল তুঙ্গে: কীভাবে তিনি বয়সের ছাপকে এত সুন্দরভাবে আড়াল করে রাখেন? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নতুন ছবি প্রকাশ পেলেই শুরু হয় আলোচনা—“জয়া কি সত্যিই বয়স বাড়াচ্ছেন, নাকি সময়ই তার জন্য থমকে আছে?”

বিশেষজ্ঞ ও ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, জয়ার তারুণ্য ধরে রাখার পেছনে রয়েছে নিয়মিত জীবনযাপন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক প্রশান্তির চর্চা।

নিয়মিত ব্যায়াম ও যোগাভ্যাস
জয়া আহসান নিয়মিত জিম ও যোগব্যায়াম করেন। বিশেষ করে যোগ ও স্ট্রেচিং তার শরীরকে নমনীয় ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ফিটনেস ট্রেনারদের মতে, নিয়মিত ব্যায়াম রক্তসঞ্চালন বাড়ায়, যা ত্বককে উজ্জ্বল রাখতে সহায়ক।

নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস
তিনি তেল-ঝাল কম খান এবং প্রাধান্য দেন সবজি, ফল ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারে। পর্যাপ্ত পানি পান ও ডিটক্স ডায়েটও তার রুটিনের অংশ বলে জানা গেছে। ত্বকের যত্নে ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ত্বকের যত্নে সচেতনতা
প্রাকৃতিক উপাদানভিত্তিক স্কিনকেয়ার এবং নিয়মিত ক্লিনজিং-টোনিং-ময়েশ্চারাইজিং—এই তিন ধাপ মেনে চলেন তিনি। শুটিংয়ের ভারী মেকআপের পর ত্বক পরিষ্কার রাখায় বিশেষ গুরুত্ব দেন।

মানসিক প্রশান্তি ও ইতিবাচকতা
জয়া একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, মানসিক চাপ কম রাখা এবং নিজের মতো সময় কাটানো তার জন্য খুব জরুরি। বই পড়া, ভ্রমণ ও প্রাণীদের সঙ্গে সময় কাটানো তাকে মানসিকভাবে চাঙা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক সুস্থতা সরাসরি চেহারায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ফ্যাশন ও আত্মবিশ্বাস
সঠিক পোশাক নির্বাচন ও মিনিমাল মেকআপও তাকে বয়সের তুলনায় আরও তরুণ দেখাতে সাহায্য করে। তবে সবকিছুর মূলেই রয়েছে তার আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্ব।

সব মিলিয়ে বলা যায়, জয়া আহসানের তারুণ্যের রহস্য কোনো জাদু নয়; বরং শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনযাপন, সচেতনতা ও আত্মভালোবাসার ফল। বয়স কেবল একটি সংখ্যা—এ কথারই যেন জীবন্ত উদাহরণ তিনি।

আরো