সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডোর শিক্ষা ও গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে

আলী আহসান রবি

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডোর শিক্ষা ও গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। শিক্ষাখাতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক দিন দিন জোরদার হচ্ছে। আগামীতে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতিতে শিক্ষা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোরের দ্বিতীয় পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও এডুকেশন এক্সপো-২০২৬ এর উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থী বৃত্তির পাশাপাশি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এই দুই দেশের মধ্যে শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় সহযোগিতার ক্ষেত্র ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে। পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান অত্যন্ত ভালো। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে কোনো খরচ ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও জীবনযাত্রার জন্য মাসিক যে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে, তা তাদের পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ দিতে সহায়ক হবে। আগামীতে পাকিস্তানের মতো এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আরও বেশি বিদেশি শিক্ষার্থী বৃত্তি ও মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে আকৃষ্ট করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী এডুকেশন এক্সপো উদ্বোধনের পর পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টল পরিদর্শন করেন। এসময় মন্ত্রী ‘আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ’-এর দ্বিতীয় ধাপের সফল বাস্তবায়নের জন্য শুভকামনা জানান।

উল্লেখ্য, ‘আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপ’- এর আওতায় আগামী ৫ বছরে এদেশের মোট ৫০০ শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে পাকিস্তানে পড়ালেখার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এবছর ‘এডুকেশন এক্সপো’ তে পাকিস্তানের মোট ২০টা বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করছে। ইতোমধ্যে, প্রথম পর্যায়ে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৪ জন শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার জন্য পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। তারা এখন পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত ।

আরো