রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ

পদত্যাগ করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চান। তবে তড়িঘড়ি নয়, সুনির্দিষ্ট সময়সূচি মেনেই তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেবেন।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদক ড্যান হজেস দাবি করেন, গতকাল শেষ বিকেলে মন্ত্রিসভার এক সদস্যের তাকে বলেন, ‘কিয়ার রাজনৈতিক বাস্তবতা বোঝেন। তিনি বুঝতে পারছেন, এই চলমান বিশৃঙ্খলা আর বেশি দিন চলতে দেওয়া যায় না। তিনি স্রেফ মর্যাদার সঙ্গে নিজের ইচ্ছেমতো সময়ে পদত্যাগ করতে চান। এজন্য একটি সময়সূচিও ঘোষণা করবেন তিনি।’

মন্ত্রিসভার আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, এই ঘোষণা ঠিক কবে আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্টারমারের কিছু প্রবীণ সহযোগী তাকে এখনই কোনো মন্তব্য না করার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাদের মতে, মেকারফিল্ড উপনির্বাচনের প্রাথমিক ভোট সমীক্ষা ও প্রচারের গতিপ্রকৃতি সামনে না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।

এক মন্ত্রীর দাবি, ‘প্রধানমন্ত্রীর সাবেক চিফ অভ স্টাফ মরগ্যান ম্যাকসুইনি তাকে আরও কিছু দিন টিকে থাকার অনুরোধ করছেন। ম্যাকসুইনির যুক্তি, লড়াই যদি হাড্ডাহাড্ডি হয় কিংবা অ্যান্ডির হারার সম্ভাবনা তৈরি হয়, তবে পরিস্থিতি বদলাতেও পারে।’

তবে মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীর এক সমর্থক ডেইলি মেইলের প্রতিবেদককে বলেন, ‘উপনির্বাচনের ফল প্রকাশ পর্যন্ত অপেক্ষা করার ঝুঁকি স্টারমার নেবেন না। কারণ, সেটি তার ব্যক্তিগত সম্মানে আঘাত করতে পারে। তিনি যদি অপেক্ষা করেন এবং তারপর অ্যান্ডি বার্নহ্যাম জিতে যান, তবে মনে হবে যে বার্নহ্যামের চাপেই তিনি পদ ছাড়তে বাধ্য হলেন।’

নিজ দলের ভেতরেই বিদ্রোহে খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির আইনপ্রণেতাদের মধ্যে এখন বাঁধভাঙা অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। একের পর এক আইনপ্রণেতা প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রীর ওপর থেকে আস্থা হারানোর কথা বলছেন।

আরো