সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ

সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ, সমস্যা চিহ্নিত: শিক্ষামন্ত্রী

বিডি মেইল ডেস্ক

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমরা এ সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি। এই সময়ের মধ্যে আমরা বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নত করেছি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ফোরাম-২০২৬’ সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কিএস রেটিং উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শুধু কেন করে? সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে কেন না? সেটা করলে আমরাও এগিয়ে থাকতাম।

এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন এতদিনে পিএইচডি ডিগ্রি চালু করতে পারলেন না? শেষ ২০ বছর আপনারা মুখ বন্ধ করে ছিলেন?

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও অনেক গবেষক আছে, যারা অন্য দেশের বিনির্মাণে নিজের জ্ঞান ঢেলে দেয়। কিন্তু আমরা তাদের খুঁজে বের করতে পারি না। এটা আমাদের ব্যার্থতা। এদিকে আমরা দৃষ্টি দিচ্ছি।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মনে প্রশ্ন এসেছে, আমার দেশের ইউনিভার্সিটি কেন কিউএস র‍্যাংকিংয়ে সামনে আসছে না। আমরা আন্তর্জাতিকভাবে রেটিং সমস্যায় পড়ছি স্টুডেন্টরা ঝরে পড়ার কারণে।

বাংলাদেশে বিদেশি শিক্ষার্থীরা পড়তে না আসার কারণ হিসেবে পরিবেশ ও নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ফরেন স্টুডেন্টরা পড়ালেখা করতে আসে না পরিবেশ ও নিরাপত্তার কারণে।

তিনি বলেন, দেশের যেসব শিক্ষার্থী বিদেশে পড়তে যাচ্ছে, তারা ভালো ফলাফল করছে। তবে বাংলাদেশ বিদেশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করতে পারছে না।

এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের কিউএস রেটিং প্রয়োজন, তাহলে আমরা স্ট্যান্ডার্ডাইজড হবো।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন পিএইচডি প্রোগ্রাম এলাও করা হয় না। প্রবলেমটা কোথায়? ১৯৯২ সালে শুরু হয়েছে, এখন ২০২৬।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের ক্রসবর্ডার শিক্ষা, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে গবেষণা দরকার। শিক্ষকের কোনো সংকট দেখছি না। হাজারো গবেষক আছে যারা মেড ইন বাংলাদেশ।

আগামীর বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্লিজ সবাই মিলে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হবে।

আরো