পরিকল্পনা ছাড়া অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছানো অসম্ভব: সিনিয়র সচিব
আলী আহসান রবি
এতদিন সরকারি পর্যায়ে শুধুমাত্র প্রাপ্ত বাজেট এবং কত খরচ করেছে করে এর উপর কাজের মূল্যায়ন করা হতো। এটা আসলে কোন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি না। বর্তমানে GPMS পদ্ধতিতে আজকে আমরা যে অবস্থায় আছি সেখান থেকে তিন বছর পর বা পাঁচ বছর পর কি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জন করতে চাই তার পরিকল্পনা করা যায়।বছরওয়ারি ভাগ করে কাজ করা যায়।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আজকে আয়োজিত ‘সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি (GPMS)’শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ এসব কথা বলেন।
তিনি আরোও বলেন-ভবিষ্যত সবসময় অনিশ্চিত। কিন্তু যদি অতীতের ট্রেন্ড অনুসরণ করেন এবং সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করা যায় তাহলে লক্ষ্য শতভাগ না হলেও কাছাকাছি পৌছানো যায়।এই ধরনের আইডিয়া থেকেই এই মনিটরিং সিস্টেম GPMS এর আর্বিভাব।এর ফলে দপ্তরগুলো কতভাগ কাজ করতে পারছে তা সহজে পরিমাপ করা যাচ্ছে।
এই কর্মশালার মাধ্যমে কর্মকর্তারা অধিকতর দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন বলে সচিব আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সরকারি কার্যক্রমে দক্ষতা, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও জনসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বা এপিএ’র প্রবর্তন করা হয়। এই পদ্ধতির আওতায় মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও তাদের অধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা, কৌশল এবং অঙ্গীকারের আলোকে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে। তবে এপিএ কাঠামোতে কিছু সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত হওয়ায় একটি অধিকতর বাস্তবমুখী ও ফলাফলভিত্তিক কর্মসম্পাদন ব্যবস্থার রূপান্তর প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এই প্রেক্ষাপটে সরকার একটি নতুন কর্মসম্পাদন মূল্যায়ন কাঠামো ‘সরকারি কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ পদ্ধতি/ Governance Performance Monitoring System’ (GPMS) চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এটি একটি নিয়মিত, কাঠামোবদ্ধ ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা, যা প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনার সঙ্গে বাস্তবায়নের সংযোগ স্থাপন করে এবং লক্ষ্যভিত্তিক ফলাফল অর্জনের উপর গুরুত্ব প্রদান করে।