মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ

স্বচ্ছতা রেখেই বিমানে যুক্ত হবে নতুন উড়োজাহাজ: পর্যটনমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আধুনিকায়নে এয়ারবাস কেনার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের ওপর থেকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল (এইচআরসিএম) স্ট্যাটাস প্রত্যাহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলাদেশের অর্থনীতি

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। এ সময় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজ স্বল্পতা রয়েছে। যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখেই সম্পন্ন করা হবে। তবে জরুরি ভিত্তিতে বিমানের বহরে উড়োজাহাজ যুক্ত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। হাই লেভেল নেগোশিয়েশন কমিটির সুপারিশের আলোকেই সরকার উড়োজাহাজ কিনবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ২০১৭ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বাংলাদেশের ওপর হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল (এইচআরসিএম) আরোপ করে। এতে কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেই এই স্ট্যাটাস প্রত্যাহারে উদ্যোগ নিয়েছে।

বিমানবন্দরে প্রয়োজন অনুযায়ী এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন সিস্টেম (ইডিএস) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর সন্তোষজনক রেটিং অর্জন করেছে। তাই ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এইচআরসিএম স্ট্যাটাস প্রত্যাহারে উদ্যোগ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সাক্ষাতে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশের হসপিটালিটি খাতের বিকাশে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী। বাংলাদেশ সরকারের এভিয়েশন হাব প্রতিষ্ঠার অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।বাংলাদেশের অর্থনীতি

এ সময় থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে মেনজিস এভিয়েশনের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আরো