রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১২ অপরাহ্ণ

২০২৬-কে প্রথম স্বাগত জানাল যেসব দেশ

নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ার থেকে ছিটকে পড়া রঙিন আতশবাজিতে আলোকিত হয়ে ওঠে রাতের আকাশ। ছবি সংগৃহীত
প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে হাজারো কাঁকড়া আর প্রকৃতির নিস্তব্ধতাকে সাক্ষী রেখে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২৬ সালকে বরণ করে নিল দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতি। কোনো কৃত্রিম আলো বা স্যাটেলাইটের সংকেত ছাড়াই একেবারে আদিম আমেজে নতুন বছরকে স্বাগত জানায় দেশটির একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ। এরপরই বর্ণাঢ্য আতশবাজি আর আলোর মিছিলে মেতে ওঠে নিউজিল্যান্ডসহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অন্যান্য দ্বীপরাষ্ট্রগুলো।

বিবিসির খবর অনুযায়ী, কিরিবাতির পর নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ার থেকে ছিটকে পড়া রঙিন আতশবাজিতে আলোকিত হয়ে ওঠে রাতের আকাশ। গ্রিনিচ মান সময় বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এই উৎসবে শামিল হয় সামোয়া, টোঙ্গা ও টোকেলাউ। নাগরিক ব্যস্ততাকে দূরে ঠেলে নিউজিল্যান্ডের চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের প্রায় ৬০০ বাসিন্দাও মেতে ওঠেন বছরের প্রথম প্রহরে।

কিউইদের উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু ছিল দক্ষিণাঞ্চলীয় ওয়ানাকা শহর। সেখানে আয়োজিত ‘রিদম অ্যান্ড আল্পস’ উৎসবে হাজার হাজার মানুষ সংগীতের মূর্ছনায় ২০২৬ সালকে আলিঙ্গন করেন। উৎসবের আয়োজক হ্যারি গোরিঞ্জ জানান, সংগীতের সুরে বছর শুরু করা মানেই সবার সাথে একাত্ম হয়ে চলার শপথ নেওয়া। প্রকৃতির মাঝে হাজারো কাঁকড়ার উপস্থিতিতে কিরিবাতির উদযাপন যেখানে ছিল এক বিরল অভিজ্ঞতা, নিউজিল্যান্ডের উদযাপন সেখানে ছিল আধুনিকতার পূর্ণ ছোঁয়া।

নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন শহরের বার ও হোটেলগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন বছরকে বরণ করতে তাদের কর্মীরা ভোর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেবেন। একদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের এই বর্ণিল সূচনা, অন্যদিকে ধীরে ধীরে এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোও তাদের নিজস্ব আমেজে ২০২৬ সালকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিশ্বজুড়ে এখন কেবলই নতুন শুরুর আনন্দ আর আগামীর প্রত্যাশা।

আরো