ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে স্কুল অব বিজনেসের নতুন ডিন ড. এ কে এম ইকবাল আজিম
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি–এর স্কুল অব বিজনেসের ডিন ও প্রফেসর হিসেবে যোগদান করেছেন প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম ইকবাল আজিম। তাঁর এই নিয়োগ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ব্যবসায় শিক্ষা ক্ষেত্রে গুণগত মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ড. আজিম নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা, একাডেমিক উৎকর্ষ এবং প্রাতিষ্ঠানিক দূরদৃষ্টির এক অনন্য সমন্বয় নিয়ে এসেছেন। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এবং আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুল–এর গর্বিত গ্র্যাজুয়েট। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফেলোশিপসহ পিএইচডি, কানাডা থেকে এমবিএ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার অব ডিফেন্স স্টাডিজ (এমডিএস) এবং মাস্টার অব সায়েন্স টেকনিক্যাল (এমএসটি) ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে যোগদানের আগে তিনি সিনার্জি ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ–এ উপাচার্য (মনোনীত) এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস–এর ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস (FASS)-এর ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন–এর একাডেমিক বিশেষজ্ঞ হিসেবেও নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া তিনি আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের কমান্ড্যান্ট এবং রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ–এর অধ্যক্ষ হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তাঁর কর্মজীবনে শিক্ষকতা, প্রশিক্ষণ, স্নাতকোত্তর গবেষণা তত্ত্বাবধান, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং একাডেমিক মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। তাঁর পিএইচডি গবেষণার ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত একটি গ্রন্থসহ একাধিক গবেষণাপত্র তাঁর কৃতিত্বের অন্তর্ভুক্ত।
ড. আজিমের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাও বিস্তৃত। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক একাডেমিক কোর্সে অংশগ্রহণ, বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও একাডেমিক ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ এবং এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সফরের মাধ্যমে বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করেছেন—যা তিনি ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির একাডেমিক উন্নয়নে কাজে লাগাবেন।
ব্যক্তিজীবনে তিনি গলফ ও খেলাধুলায় আগ্রহী। তিনি বিবাহিত এবং এক কন্যা সন্তানের জনক।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি আশা করছে, ড. আজিমের নেতৃত্বে স্কুল অব বিজনেস আরও শক্তিশালী হবে, গবেষণা ও শিল্পখাতের সঙ্গে সংযোগ বাড়বে এবং শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও দক্ষ হয়ে উঠবে। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তাঁকে আন্তরিক স্বাগত জানিয়েছে এবং তাঁর নেতৃত্বে একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।