শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ

ফলের দাম কমলেও স্বস্তি নেই ক্রেতাদের

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে বিভিন্ন ধরনের ফলের দাম। বিশেষ করে আপেল ও মাল্টার দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে বেশ কিছু ফলের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। ফলে দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও সব ধরনের ফল এখনো ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসেনি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিভিন্ন ফলের দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে প্রতি কেজি কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। ফুজি আপেল ৩০০ টাকা, দিলশান আপেল ২৫০ টাকা এবং ছোট আকারের আপেল ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে মানভেদে প্রতি কেজি মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, পেঁপে ৫০ থেকে ৮০ টাকা এবং সাদা আঙুর ৪০০ টাকায়। আকারভেদে প্রতিটি আনারস বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৬০ টাকায়।

এ ছাড়া প্রতি কেজি কালো আঙুর ৫৫০ টাকা, আনার ৩৫০ টাকা, ড্রাগন ফল ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, পেয়ারা ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং নাশপাতি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাম্মাম প্রতি কেজি ১০০ টাকা এবং দেশি মাল্টা ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

কারওয়ান বাজারের ফল ব্যবসায়ী সাইয়েদুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় ফলের দাম কিছুটা কমেছে। বিশেষ করে আপেল ও মাল্টার দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে।

বাজারের আরেক ফল ব্যবসায়ী সুলতান আহমদ বলেন, মাল্টা ও আপেলের দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে মাল্টা প্রতি কেজি ২৮০ টাকা দরে বিক্রি করছেন, যা গত সপ্তাহে ৩০০ টাকার বেশি ছিল। এ ছাড়া নাশপাতি বিক্রি করছেন ৩২০ টাকা কেজি দরে। তিনি জানান, আফ্রিকান আপেলের দাম তুলনামূলক বেশি। বর্তমানে প্রতি কেজি আফ্রিকান আপেল ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারে ফল কিনতে আসেন আলী হোসেন। তিনি বলেন, আড়াই কেজি পাকা পেঁপে কিনেছেন ১৫০ টাকায়। তাঁর মতে, ফলের দাম অনেকটাই নির্ভর করে আকারের ওপর। ছোট আকারের পেঁপে ৫০ টাকা কেজি দরেও পাওয়া যাচ্ছে। দেশি ফলের দাম তুলনামূলক কম থাকায় তিনি এসব ফলই বেশি কেনেন।

এদিকে ফল কিনতে আসা অন্যান্য ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কিছু ফলের দাম কমলেও বাজারে সব ধরনের ফল কেনার ক্ষেত্রে এখনো হিসাব করে চলতে হচ্ছে তাঁদের। বিশেষ করে বিদেশি ফলের দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প পরিমাণে ফল কিনছেন।

ক্রেতাদের মতে, আপেল ও মাল্টার দাম কিছুটা কমায় স্বস্তি ফিরলেও সামগ্রিকভাবে ফলের বাজার এখনো পুরোপুরি ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসেনি। তাই দাম আরও কমলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য ফল কেনা সহজ হবে।

আরো