বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৬:০৬ পূর্বাহ্ণ

শেরপুরে রাজনৈতিক সংঘর্ষে প্রাণহানি: গভীর উদ্বেগ জানাল অন্তর্বর্তী সরকার

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ঘিরে সংঘর্ষ ও একজনের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এ ধরনের সহিংস ঘটনাকে অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছে সরকার।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দেওয়া এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত যেকোনো প্রাণহানি সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য এবং গভীরভাবে বেদনাদায়ক। নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকায় পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে বিএনপি, জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক দলের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সংযম বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়। সরকার স্পষ্ট করে জানায়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা প্রাণহানির কোনো সুযোগ নেই।

অন্তর্বর্তী সরকার জানায়, ঘটনার পরপরই শেরপুরে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শান্তি বজায় রাখা, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলকভাবে ভোটারদের সম্পৃক্ত করা—এ দায়িত্ব সব রাজনৈতিক দল, নেতা ও প্রচারকদের পালন করতে হবে। দেশের ভবিষ্যৎ শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আচরণের ওপর নির্ভর করছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

অন্তর্বর্তী সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে বিবৃতিটি শেষ করা হয়।

আরো