আইএসডির ‘ভয়েস অব চেঞ্জ’: স্মার্ট ও বৈশ্বিক সম্প্রদায় গঠনে প্যানেল আলোচনা
দেশের প্রযুক্তি খাতের নেতৃবৃন্দ, সৃজনশীল পেশাজীবী ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি)-তে অনুষ্ঠিত হলো ‘ভয়েস অব চেঞ্জ’ শীর্ষক এক প্যানেল আলোচনা। এতে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে ক্যারিয়ার গঠন ও শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক সুযোগের জন্য প্রস্তুত করার বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।
আইএসডি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে পাঁচজন বিশিষ্ট বক্তার মধ্যে তিনজন ছিলেন আইএসডির প্রাক্তন শিক্ষার্থী। আলোচকরা হলেন— টরন্টোভিত্তিক ডোরড্যাশের ইঞ্জিনিয়ারিং লিডার ও আইএসডির প্রাক্তন শিক্ষার্থী শেহজাদ নূর তাউস, সদ্য নির্বাচিত মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ও মেকআপ আর্টিস্ট আনিকা আলম, প্রিভে স্যালন চেইনের উদ্যোক্তা ও মালিক নাহিলা হেদায়েত, ব্যবসায়ী ও ফিটনেস অ্যাডভোকেট এবং আইএসডির প্রাক্তন শিক্ষার্থী রাওয়ান চৌধুরী এবং অর্থনীতিবিদ ও উদ্যোক্তা সালসাবিনা স্বর্ণা।
আলোচনায় বক্তারা শৃঙ্খলা, সৃজনশীলতা, ডিজিটাল দক্ষতা ও ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা কীভাবে ক্যারিয়ার গঠনে ভূমিকা রাখে, সে বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে একটি কার্যকর পেশাগত টুল হিসেবে ব্যবহারের গুরুত্ব, পাশাপাশি এর সীমাবদ্ধতা নিয়েও আলোচনা করেন। এছাড়া শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় ফিটনেসের ভূমিকা এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করা হয়।
নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে শেহজাদ নূর তাউস বলেন, “দশ বছর বয়সে কোডিং শেখা আমাকে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করেছে। সময়ের আগেই শুরু করলে সেই দক্ষতা ধীরে ধীরে আপনার পরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে। আর এই যাত্রায় আশপাশের মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
আনিকা আলম বলেন, “ইনস্টাগ্রামে শখের বশে শুরু করা কাজই একসময় পেশাগত পরিচয়ে রূপ নেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় উপস্থিতি বর্তমান সময়ে সৃজনশীল পেশার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। আইএসডির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরাসরি অভিজ্ঞতা জানতে পেরে উপস্থিতরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
আইএসডির পরিচালক স্টিভ ক্যাল্যান্ড-স্কোবল বলেন, “আমাদের অ্যালামনাই ও কমিউনিটির সদস্যদের অভিজ্ঞতা বিনিময় এই আলোচনাকে আরও অর্থবহ করেছে। আইএসডির শিক্ষা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও বৈশ্বিক মানসিকতা গড়ে তোলে, যা তাদের বিভিন্ন শিল্পখাত ও দেশের সীমা অতিক্রম করে সফল হতে সহায়তা করে।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি আইএসডি তাদের ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও সংলাপ, সহযোগিতা ও যৌথ শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই ও বৃহত্তর কমিউনিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা জানিয়েছে।
চাইলে আমি এটিকে আরও ছোট নিউজ, হেডলাইন + লিড, বা প্রেস রিলিজ ফরম্যাটেও সাজিয়ে দিতে পারি।