সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য: ইইউ পর্যবেক্ষক

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। ইভার্স ইজাবস বলেন, বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশ সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক এবং এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

তিনি জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন একটি বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যক্ষ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং রাজনৈতিক জবাবদিহিতার মতো অভিন্ন মূল্যবোধের ভিত্তিতেই তাদের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে ইইউ প্রধান পর্যবেক্ষক বলেন, মিশনের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা হয়েছে। কিছু অঞ্চল তুলনামূলকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হলেও সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে তারা মনে করছেন।

নারী ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে ইভার্স ইজাবস বলেন, একটি নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে হলে সব শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী ও সংখ্যালঘুদের সক্রিয় অংশগ্রহণ গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে।

নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে তিনি আরও জানান, ইইউর দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চলে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছেন। তারা প্রার্থী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। এসব পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে সামগ্রিক পরিবেশকে আশাব্যঞ্জক বলেই মনে হচ্ছে।

ইভার্স ইজাবস বলেন, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন শেষে প্রায় দুই মাস পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে, যেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মূল দায়িত্ব হলো নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত না হওয়া।

আরো