শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ

হঠাৎ বাড়লো ডিম-মুরগির দাম, চড়া সবজির বাজারও

গত একমাস ধরে সবজির দামও অনেকটাই চড়া, এবার বেড়েছে মুরগি ও ডিমের দাম। ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও ডিমের ডজন ১৫০ টাকা। আর দেশি মুরগির জন্য ক্রেতাকে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

জানা গেছে, গত মাসে সোনালি মুরগির কেজি ছিল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। এখন বেড়ে হয়েছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। আর দেশি মুরগি সাড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। ১৭৫ থেকে বেড়ে ২০০ টাকা কেজিতে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করা হচ্ছে।  

রায়ের বাজারে মুরগী বিক্রেতা আনিস মিয়া বলেন, রোজার ঈদের পর মুরগির দাম কিছুটা কমেছিল। আমরা ব্রয়লারের কেজি ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা বিক্রি করেছি। এই সপ্তাহে কিছুটা দাম বেড়েছে। বর্তমানে ২০০ টাকা খুচরা বিক্রি করছি।

তিনি আরও বলেন, সোনালীর দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজিতে বেড়েছে। বর্তমানে ৩৫০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। দেশি মুরগি তো পাওয়া যাচ্ছে না। পেলে ৭০০ টাকার উপরে বিক্রি করা হয়।

এদিকে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে অন্তত ১০ টাকা। এর সঙ্গে বাড়তি যোগ হয়েছে আদা। এ পণ্যটির দামও কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায়।

বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়, যা মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। তবে বাজারে প্রচুর পরিমাণে দেশি রসুনের সরবরাহ থাকায় এ পণ্যটির দাম আছে আগের মতোই।

ব্যবসায়ীদের মতে, পেঁয়াজের দাম কিছুটা বাড়লেও পণ্যটি এখনো সবার নাগালের মধ্যে আছে। তবে বাড়তি চাহিদাকে কেন্দ্র করে দাম বাড়ানোর সুযোগ নিচ্ছেন মধ্যস্বত্বভোগীরা। কারণ, কৃষকের হাত থেকে পেঁয়াজ এখন বড় ব্যবসায়ীদের গুদামে।

অন্যদিকে​বাজারে এখন ৭০-৮০ টাকা কেজির কমে কোনো সবজি মিলছে না। সবচেয়ে কম দামের সবজি পেঁপের দাম এখন ৬০ থেকে ৮০ টাকা। আর মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১২০ টাকায়। অন্যান্য সবজির মধ্যে ঢ্যাঁড়স, চিচিঙ্গা, ধুন্দল ও ঝিঙে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। করলা, বরবটি, কাকরোরেল দাম আরও বেশি, বাজারে যা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে মিলছে।

বাজারের এমন পরিস্থিতিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো আরও চাপে পড়েছে। তদারকি জোরদার না হলে ঈদের আগে বাজার আরও নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সাধারণ ক্রেতারা।

আরো