মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ

প্রেমের নামে প্রতারণা, সংগীতশিল্পীর মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজ হওয়ার ঠিক এক সপ্তাহ পর লুধিয়ানার নীলো খাল থেকে উদ্ধার করা হলো উদীয়মান ও জনপ্রিয় পাঞ্জাবি সংগীতশিল্পী ইন্দর কৌরের মরদেহ। ২৯ বছর বয়সী এই গায়িকাকে বন্দুকের মুখে অপহরণের পর নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত ১৩ মে রাতে বাজার করার উদ্দেশ্যে নিজের ফোর্ড ফিগো গাড়ি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন ইন্দর। এরপর গভীর রাত পেরিয়ে গেলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। ঘটনার পর থেকেই তার পরিবার অপহরণের আশঙ্কা করছিল। অবশেষে নিখোঁজ থাকার ছয় দিন পর খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে মোগা জেলার ভালুর গ্রামের বাসিন্দা সুখবিন্দর সিংয়ের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল ইন্দরের। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। কিন্তু কিছুদিন পর ইন্দর জানতে পারেন যে, সুখবিন্দর বিবাহিত এবং তার একটি সন্তানও রয়েছে।who was 29 year old inder Kaur? : किडनैपिंग-एकतरफा प्यार और फिर खौफनाक अंत, कौन थीं 29 साल की Yashinder Kaur?

এই সত্য জানার পরপরই নিজেকে সম্পর্ক থেকে গুটিয়ে নেন ইন্দর। এরপর সুখবিন্দর তাকে বিয়ের জন্য ক্রমাগত চাপ দিতে থাকলেও ইন্দর সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। অভিযোগ উঠেছে, বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়াই কাল হলো সংগীতশিল্পীর। প্রত্যাখ্যানের পর থেকেই সুখবিন্দর তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছিল।

গায়িকার ভাই যতিন্দর সিং পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় ক্ষোভে অন্ধ হয়ে সুখবিন্দর ও তার সহযোগীরা ইন্দরকে বন্দুক দেখিয়ে অপহরণ করে। পরে তাকে নির্মমভাবে খুন করে লাশ খালে ফেলে দেয়।

পরিবারের দাবি, এই হত্যাকাণ্ড ঘটানোর উদ্দেশ্য নিয়েই কানাডা থেকে পাঞ্জাবে এসেছিলেন সুখবিন্দর। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশও জানতে পেরেছে যে, সুখবিন্দর কানাডা থেকে সরাসরি ভারতে না এসে ভায়া নেপাল হয়ে দেশটির সীমান্ত পার হয়েছিলেন। আর নৃশংস এই অপরাধ সেরে সে আবারও কানাডায় পালিয়ে গেছে।

লুধিয়ানার জামালপুর থানার পুলিশ কর্মকর্তা বলবীর সিং জানিয়েছেন, সকাল ১১টা নাগাদ নীলো খালে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে ইন্দরের পরিবার এসে লাশ শনাক্ত করে।

১৯৯৭ সালে জন্ম নেওয়া ইন্দর কৌর শুধু একজন সুপরিচিত গায়িকাই ছিলেন না মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবেও তার বেশ নামডাক ছিল। তার কণ্ঠের ‘রিচ স্ট্যান্ডার্ড’, ‘সোনা লাগড়া’, ‘দেশি সিরে দে’, ‘আফগান জট্টি’ কিংবা ‘কিসান অ্যান্থেম’-এর মতো একাধিক গান পাঞ্জাবের শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পাঞ্জাবের নামী তারকাদের সাথে একই মঞ্চ কাঁপাতেন তিনি।

আরো